দেশে দেশে যুদ্ধ ২০২৬: বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা চরমে

দেশে দেশে যুদ্ধ ২০২৬ বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা চরমে
শেয়ার করুন

কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে যুদ্ধ, দেশে দেশে যুদ্ধ ২০২৬—বিশ্ব কি নতুন মহাযুদ্ধের দিকে?

দেশে দেশে যুদ্ধ ২০২৬—এই শব্দগুচ্ছ এখন শুধু শিরোনাম নয়, বাস্তবতার কঠিন প্রতিধ্বনি। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের চতুর্থ বর্ষপূর্তির ঠিক আগে কিয়েভে একের পর এক বিস্ফোরণ, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সংঘাত, দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে কার্যত যুদ্ধাবস্থা—বিশ্ব রাজনীতি যেন অগ্নিগর্ভ সময় পার করছে।

২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে বড় সংঘাতসমূহ

২০২৬ কি বিশ্বকে আরও বড় সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে?

এই প্রতিবেদনে থাকছে কিয়েভে সাম্প্রতিক হামলার বিস্তারিত, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে যুদ্ধ, চলমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির বিশ্লেষণ এবং সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ চিত্র।

কিয়েভে বিস্ফোরণ

২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ভোরে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে।

২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর চার বছর পূর্ণ হওয়ার ঠিক দুই দিন আগে এই হামলা নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।

ইউক্রেনের সামরিক প্রশাসন জানায়, রাশিয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে রাজধানীকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়।

শহরের অন্তত পাঁচটি ডিস্ট্রিক্টে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। একটি বহুতল আবাসিক ভবনের ছাদে আগুন ধরে যায়।

একজন নারী ও একটি শিশুসহ কয়েকজন আহত হন। কিছু এলাকায় জরুরি বিদ্যুৎ বিভ্রাটও দেখা দেয়।

ভোর চারটার দিকে বিমান হামলার সতর্কতা জারি হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনী দাবি করেছে, তারা অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।

তবে আকাশপথে হামলা পুরোপুরি ঠেকানো যায়নি।

কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার আহ্বান জানান।

সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো বলেন, রাজধানীকে লক্ষ্য করে শত্রুপক্ষ সরাসরি ব্যালিস্টিক হামলা চালিয়েছে।

হামলার বিস্তার

শুধু কিয়েভ নয়, ইউক্রেনের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহরেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে রয়েছে লভিভ, খারকিভ, ওদেসা এবং জাপোরিঝঝিয়া।

লভিভে এক নারী পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বিভিন্ন শহরে জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফলে কয়েকটি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ: চার বছরে কোথায় দাঁড়িয়েছে?

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া পূর্ণমাত্রার আক্রমণ শুরু করে ইউক্রেন-এর বিরুদ্ধে।

চার বছর পরও সংঘাতের শেষ দেখা যাচ্ছে না।

বর্তমানে রাশিয়া ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।

পূর্বাঞ্চলীয় দনবাস অঞ্চলে লড়াই অব্যাহত।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক পাল্টা অভিযানে ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রায় ৩০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা পুনর্দখল করেছে।

যদিও স্বাধীনভাবে এই দাবি যাচাই করা কঠিন।

বিশ্লেষকদের মতে, শীতকালীন সময়ে জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে ইউক্রেনকে চাপে রাখাই রাশিয়ার কৌশল।

তীব্র শীতে (মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি) রাজধানীতে হামলা মানসিক চাপ তৈরিরও একটি অংশ।

কিয়েভে রুশ হামলা তারই একটি প্রতীকী অধ্যায়—যেখানে যুদ্ধের চার বছর পরও শান্তির আলো দেখা যাচ্ছে না।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ

২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এক ভয়াবহ মোড় নিয়েছে।

ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সরাসরি সংঘাতের ফলে গোটা অঞ্চল এখন এক অস্থির সময় পার করছে।

বর্তমান যুদ্ধের মূল চিত্র

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধ

২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ ও ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে।

গত কয়েক দিনে তেহরানসহ ইরানের পাঁচটি প্রধান এলাকায় ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে ।

হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উস্কে দিয়েছে ।

পাল্টা হামলা ও আঞ্চলিক অস্থিরতা

ইরান এর জবাবে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৬টি দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

কুয়েত, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত শত শত ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ।

এমনকি রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসেও ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে ।

লেবানন ফ্রন্ট

হিজবুল্লাহ ইরানের পক্ষে যুদ্ধে যোগ দিয়ে ইসরায়েলের হাইফা শহরে হামলা চালায়।

এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের ভেতরে প্রবেশ করে বেশ কিছু কৌশলগত এলাকা দখল করে নিয়েছে ।

লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ডকে ‘অবন্ধুসুলভ’ বলে সমালোচনা করেছেন ।

গাজা পরিস্থিতি

ইরানে হামলার প্রেক্ষিতে ইসরায়েল গাজার সব সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছিল, তবে ৩ মার্চ থেকে কেরেম শালোম সীমান্ত দিয়ে সীমিত আকারে মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে ।

অর্থনৈতিক ও বৈশ্বিক প্রভাব

যুদ্ধের ফলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে, যা বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ।

কাতার তাদের এলএনজি (LNG) উৎপাদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ।

আকাশপথ অনিরাপদ হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বহু রুটে।

পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধ ২০২৬

২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে,

যাকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও উভয় দেশ ‘কার্যত যুদ্ধাবস্থা’ হিসেবে বর্ণনা করছে।

দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনা এবং জঙ্গি দমনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ থেকে এই সরাসরি সংঘাতের সূত্রপাত।

পাকিস্তান-আফগানিস্তান বর্তমান পরিস্থিতি

যুদ্ধের ঘোষণা

২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘ওপেন ওয়ার’ বা প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা করে।

এর আগে ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান আফগানিস্তানের খোস্ত, নানগারহার এবং পাকতিকা প্রদেশে বিমান হামলা চালিয়েছিল ।

পাকিস্তানের সামরিক অভিযান

পাকিস্তান সেনাবাহিনী ‘অপারেশন গজব লীল হক’ (Operation Ghazab Lil Haq) শুরু করেছে।

পাকিস্তানি বিমান বাহিনী কাবুল, কান্দাহার এবং জালালাবাদসহ বিভিন্ন শহরে বিমান হামলা ও ড্রোন হামলা পরিচালনা করছে ।

আফগানিস্তানের পাল্টা হামলা

তালেবান শাসিত আফগান বাহিনীও ডুরান্ড লাইনে পাকিস্তানের বিভিন্ন সীমান্ত চৌকিতে ভারী অস্ত্র দিয়ে হামলা চালাচ্ছে ।

তাদের দাবি অনুযায়ী, তারা পাকিস্তানের অন্তত ২৭টি সামরিক পোস্ট দখল করেছে এবং কয়েক শ’ পাকিস্তানি সেনাকে হতাহত করেছে।

হতাহত

যুদ্ধের ৫ই মার্চ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উভয় পক্ষে ব্যাপক হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

পাকিস্তান দাবি করেছে তারা ৪শর বেশি আফগান সেনাকে হত্যা করেছে।

অন্যদিকে, আফগান সূত্র ও জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী অন্তত ৪২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

মূল কারণ

পাকিস্তান অভিযোগ করছে যে, আফগানিস্তান তাদের মাটিতে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (TTP) এবং

আইএসআইএস-কে (ISIS-K) জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে,

যারা পাকিস্তানে নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে।

তবে তালেবান সরকার এই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।

সীমান্ত পরিস্থিতি

তোরখাম ও স্পিন বোলডাকসহ গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পারাপারগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

লভিভ ও বিগ্রাম বিমানঘাঁটিতেও হামলার চেষ্টার খবর পাওয়া গেছে।

এই সংঘাতের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা চরম হুমকির মুখে পড়েছে।

২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত সবচেয়ে আলোচিত সংঘাতগুলো

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বেশ কয়েকটি বড় ধরনের যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘাত চলছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

এটি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ও বড় আকারের যুদ্ধ।

চার বছর পূর্ণ হলেও এই সংঘাত এখনও কিয়েভ ও ইউক্রেনের অন্যান্য অংশে অব্যাহত আছে।

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে ইরান এবং ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ শুরু হয়েছে।

তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নিয়মিত হামলা চালানো হচ্ছে।

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত যুদ্ধ

সীমান্ত উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে এই দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ শুরু হয়েছে।

উভয় দেশই আকাশপথে এবং সীমান্তে একে অপরের ওপর হামলা চালাচ্ছে।

ইসরায়েল-গাজা সংঘাত

গাজায় হামাসের সাথে ইসরায়েলের যুদ্ধ এখনও অনিয়মিতভাবে চলছে।

ইসরায়েল-লেবানন

লেবাননের হিজবুল্লাহর সাথে ইসরায়েলি বাহিনীর সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করেছে।

সুদান গৃহযুদ্ধ

সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধা-সামরিক বাহিনী আরএসএফ (RSF)-এর মধ্যে ক্ষমতার দখল নিয়ে এক রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ চলছে।

মিয়ানমার গৃহযুদ্ধ

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং জান্তা সরকারের মধ্যে সশস্ত্র লড়াই অব্যাহত রয়েছে।

সাহেল অঞ্চলের সশস্ত্র লড়াই(মালি, নাইজার, বুরকিনা ফাসো)

আফ্রিকার এই অঞ্চলে ইসলামপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশের সরকার লড়াই করছে।

ইথিওপিয়া

তিগ্রে অঞ্চলের বিদ্রোহ এবং প্রতিবেশী ইরিত্রিয়ার সাথে উত্তেজনার কারণে ইথিওপিয়া এখনও একটি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ সংঘাত অঞ্চল।

হাইতি

দেশটিতে বর্তমানে কোনো স্থিতিশীল সরকার নেই; গ্যাংগুলোর দখলদারিত্ব এবং অভ্যন্তরীণ সংঘাত দেশটিকে অচল করে দিয়েছে।

এছাড়াও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো (DRC), সিরিয়া, ইয়েমেন এবং ভেনেজুয়েলায় বিভিন্ন মাত্রার সশস্ত্র সংঘাত ও রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব সংঘাত আলাদা হলেও বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য, জ্বালানি নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সঙ্গে জড়িত।

বিশ্ব কি বৃহত্তর যুদ্ধে জড়াবে?

‘দেশে দেশে যুদ্ধ ২০২৬’ এখন কেবল একটি ট্রেন্ডিং কীওয়ার্ড নয়—এটি বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।

যদিও এখনো সরাসরি বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়নি, তবে একাধিক আঞ্চলিক সংঘাত একই সময়ে জ্বলতে থাকলে তা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তায় বড় ধাক্কা দিতে পারে।

কিয়েভে সাম্প্রতিক বিস্ফোরণ আবারও প্রমাণ করল, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি।

একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার সংঘাত বিশ্ব পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।

২০২৬ সাল বিশ্ব রাজনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর হয়ে উঠতে পারে—যেখানে কূটনীতি ও সামরিক শক্তির লড়াই সমান্তরালে চলবে।

আপনি কী মনে করেন—২০২৬ সালে চলমান এসব যুদ্ধ কি আরও বড় বৈশ্বিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে?

আপনার মতামত কমেন্টে জানান এবং বিশ্ব পরিস্থিতির আপডেট পেতে আমাদের সঙ্গেই থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *