ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের বিজয়ের পর সম্ভাব্য নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা কেমন হবে—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে ব্যাপক আলোচনা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাওয়া তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয় দেখা যেতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে।
দুই দশক পর সরকার গঠনের পথে থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রেখে মন্ত্রিসভা গঠনের পরিকল্পনা করছে—এমন ইঙ্গিত দলীয় সূত্রের বরাতে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে।
দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং মঈন খান–এর মতো অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। আবার তাঁদের কেউ রাষ্ট্রের সাংবিধানিক পদে যেতে পারেন বলেও রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে।
নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে থাকা নেতাদের মধ্যে মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন–এর নাম বিভিন্ন আলোচনায় সামনে আসছে।
এ ছাড়া সাবেক মন্ত্রীদের মধ্যে আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকতউল্লাহ বুলু এবং আ ন ম এহসানুল হক মিলন–এর নামও সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে বলে রাজনৈতিক সূত্রে আলোচনা রয়েছে।
তরুণ নেতৃত্বের মধ্যে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ইশরাক হোসেন এবং ড. রেজা কিবরিয়া–এর নাম আলোচনায় রয়েছে।
জোটসঙ্গীদের মধ্য থেকেও কয়েকজন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে ববি হাজ্জাজ, আন্দালিব রহমান পার্থ এবং নুরুল হক নূর–এর নাম আলোচিত হচ্ছে।
নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্ব পালনকারী নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী–কেও নতুন সরকারের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে যুক্ত রাখা হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।
টেকনোক্র্যাট সদস্য হিসেবে মাহদী আমিন এবং হুমায়ুন কবির–এর নামও আলোচনায় এসেছে।
অন্যদিকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন–এর নামও বিভিন্ন মহলে শোনা যাচ্ছে।
