পুরান ঢাকার কেরানীগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে দায়ের করা একটি আলোচিত মামলায় বড় সিদ্ধান্ত এসেছে আদালত থেকে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১২৪ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আরও রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল, সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এবং সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন।
এই মামলাটি করা হয়েছিল ‘জিহাদ’ (১১) নামে এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগ তুলে। কিন্তু তদন্তে বেরিয়ে আসে ভিন্ন চিত্র।
তদন্তে জানা যায়, যাকে নিহত বলা হয়েছিল, সেই জিহাদ আসলে জীবিত রয়েছে। শুধু তাই নয়, ঘটনার বর্ণনাতেও একাধিক অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।
আরও জানা যায়, হাজারীবাগে আহত হওয়ার একটি ঘটনাকে কেরানীগঞ্জে ‘হত্যা’ হিসেবে উপস্থাপন করে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক বদিয়ার রহমান গত বছরের ১১ আগস্ট তদন্ত শেষে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। সেই প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না গত বছরের ৩০ নভেম্বর সব আসামিকে অব্যাহতির আদেশ দেন।
আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও ভুক্তভোগী জীবিত রয়েছেন এবং তিনি নিজেই আদালতে স্বীকার করেছেন যে তিনি নিহত হননি, বরং আহত হয়েছেন।
